সোনার দোকানে গিয়েছিলেন তরুণী। পেয়েছিল তেষ্টা। সঙ্গে জলের বোতল না থাকায় সোনার দোকানের মালিকের কাছে জল চান তিনি। মালিক কর্মচারীকে পাশের মিষ্টির দোকান থেকে জল আনতে পাঠান। কর্মচারী জল এনে দেন। তার পরই ঘটনা অন্য দিকে বাঁক নেয়। সেই ‘জল’ মুখে দিতেই তরুণীর গলা জ্বলতে শুরু করে। কারণ বোতলে জল ছিল না, বদলে ছিল অ্যাসিড। ভয়ঙ্কর সেই ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তরপ্রদেশের হাপুরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তরুণী অর্জুন নগরের কাছে একটি সোনার দোকানে যান। সেখানেই তাঁর সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। তরুণীর অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাঁকে স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তরুণীকে সেখান থেকে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি গুরুতর অবস্থায় উত্তরপ্রদেশের এক মেডিকাল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ মিষ্টির দোকানের মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। মিষ্টির দোকানের মালিক জানিয়েছেন যে, ফ্রিজ় থেকে বার করে তিনি সিল করা জলের বোতলই দিয়েছিলেন। এমনটা কেন হল তাঁর জানা নেই। পুলিশ সেই মিষ্টির দোকানে তল্লাশি করে আরও কয়েকটি অ্যাসিডের বোতল উদ্ধার করেছে। তদন্ত চলছে। গয়নার দোকানের মালিকও সিল করা বোতলে জলের জায়গায় অ্যাসিড কী ভাবে এল বুঝতে পারছেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গয়নার দোকানে বসে রয়েছেন তরুণী। তাঁর পাশে বসে রয়েছেন এক মহিলা। উল্টো দিকে বসে রয়েছেন সেই দোকানের মালিক। পাশে বসে থাকা মহিলা তরুণীর হাতে একটি জলের বোতল তুলে দিলেন। সেখান থেকে একবার জল খেয়েই তরুণী ছটফট করতে লাগলেন। দৌড়ে দোকানের বাইরে চলে গেলেন। তার পর বমি করার চেষ্টা করে চললেন। দোকানদার এবং সেই মহিলা হাঁ করে তরুণীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। পাশে বসে থাকা মহিলা বেশ কয়েক বার তরুণীকে জিজ্ঞাসা করলেন যে তাঁর কী হয়েছে, তিনি এমন কেন করছেন, কিন্তু তরুণী উত্তর দিতে পারছিলেন না। তরুণী রাস্তার উপর ঝুঁকে পড়ে বমি করার চেষ্টা করে চললেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘ইন্ডিবাজ়অফিসিয়াল’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। নানা রকমের মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। একদল নেটাগরিক তরুণীর দ্রুত আরোগ্যের কামনা করেছেন। অনেকে ঘটনাটির সঠিক তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তরপ্রদেশের হাপুরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তরুণী অর্জুন নগরের কাছে একটি সোনার দোকানে যান। সেখানেই তাঁর সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। তরুণীর অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাঁকে স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তরুণীকে সেখান থেকে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি গুরুতর অবস্থায় উত্তরপ্রদেশের এক মেডিকাল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ মিষ্টির দোকানের মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। মিষ্টির দোকানের মালিক জানিয়েছেন যে, ফ্রিজ় থেকে বার করে তিনি সিল করা জলের বোতলই দিয়েছিলেন। এমনটা কেন হল তাঁর জানা নেই। পুলিশ সেই মিষ্টির দোকানে তল্লাশি করে আরও কয়েকটি অ্যাসিডের বোতল উদ্ধার করেছে। তদন্ত চলছে। গয়নার দোকানের মালিকও সিল করা বোতলে জলের জায়গায় অ্যাসিড কী ভাবে এল বুঝতে পারছেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গয়নার দোকানে বসে রয়েছেন তরুণী। তাঁর পাশে বসে রয়েছেন এক মহিলা। উল্টো দিকে বসে রয়েছেন সেই দোকানের মালিক। পাশে বসে থাকা মহিলা তরুণীর হাতে একটি জলের বোতল তুলে দিলেন। সেখান থেকে একবার জল খেয়েই তরুণী ছটফট করতে লাগলেন। দৌড়ে দোকানের বাইরে চলে গেলেন। তার পর বমি করার চেষ্টা করে চললেন। দোকানদার এবং সেই মহিলা হাঁ করে তরুণীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। পাশে বসে থাকা মহিলা বেশ কয়েক বার তরুণীকে জিজ্ঞাসা করলেন যে তাঁর কী হয়েছে, তিনি এমন কেন করছেন, কিন্তু তরুণী উত্তর দিতে পারছিলেন না। তরুণী রাস্তার উপর ঝুঁকে পড়ে বমি করার চেষ্টা করে চললেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘ইন্ডিবাজ়অফিসিয়াল’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। নানা রকমের মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। একদল নেটাগরিক তরুণীর দ্রুত আরোগ্যের কামনা করেছেন। অনেকে ঘটনাটির সঠিক তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক